অবাধ নির্বাচন সম্ভব কখন?

এ রাজ্যে অবাধ নির্বাচন আর সোনার পাথরবাটির কল্পনা একই রকম।
এরাজ্যে অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন দেখেছিলাম ২০১২ সালে। শুধু আমি কেন রাজ্যবাসীকে আজ একথা স্বীকার করতেই হবে সেই নির্বাচন ছাড়া এরাজ্যে আর কোন নির্বাচনেই মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ লক্ষ্য করেনি।
এখন নির্বাচন মানেই গুন্ডারাজ কায়েমের মধ্যে দিয়ে কতটা পক্ষে ভোট করিয়ে নেওয়া সম্ভব তারই মহড়া।
এরাজ্যের ভোটারই শুধু নয়, বুথে নির্বাচন করতে যাওয়া আধিকারিকরাও আজ আতঙ্কিত। বাড়ি ফিরতে পারব তো? গত পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের মাস্তানদের গুলিতে রাজকুমারের মৃত্যু সেই আতঙ্ককে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনকে জগন্নাথ বানিয়ে রেখে এরাজ্যে ভোট করার রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। একমাত্র ২০১২ সালের নির্বাচনে দেখেছিলাম অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট। নির্বাচকরাও পেয়েছিলেন নিরাপত্তা।
আবার প্রয়োজন টি এন শেষনের মত একজন বলিষ্ঠ মনের নির্বাচন কমিশনারের। তবেই সম্ভব সুষ্ঠ নির্বাচন।

অথবা
শাসকের সঙ্গে সঙ্গে সব বিরোধী দলকে অস্ত্র, লাঠি ধরতে হবে। অর্থাৎ যাকে বলে "কাঠেকাঠে টক্কর"। তাহলেও সম্ভব সুষ্ঠ নির্বাচন।
উত্তরবঙ্গে আজ অনুষ্ঠিত ভোট গণতন্ত্রের প্রহসন ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছি না।

Comments

Popular posts from this blog

বর্ধমান জেলার অনেক মানুষের সাথে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ছিল নিবিড় যোগাযোগ

সাগরপাড়ের রানী ভাইজ্যাক

ডোডোর কেরামতি