ট্রেকিং ও দলগত সংহতি


                        ( ট্রেকিং এর পথে)

                                    (হোম স্টে)



ট্রেকিং এর দিনগুলি ট্রেকার্সদের কাছে অত্যন্ত আনন্দদায়ক। এই সময় ট্রেকার্সরা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেন। পরিবার পরিজন থাকে না সঙ্গে সেই কারণে দলগত সংহতি এসময়ে একান্ত জরুরি।

একটি পরিবারে পরিজনরা যেমন একে অপরের সহযোগিতা নিয়ে বেঁচে থাকেন, ঠিক তেমনি ট্রেকিং এর সময় প্রত্যেকে আমরা পরের তরে এই ভাবনা নিয়ে লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে চলি। সে পথে আছে বিভিন্ন বাধা বিঘ্ন। সেই কারণে সহযোগিতা প্রয়োজন । এক মনের মানুষ প্রয়োজন। যে দলে এটি থাকে সে দল  লক্ষ্যপূরনে সমর্থ হয় ।আমি যে টিমের সদস্য ,সেই টিমে এই রকম সহযোগিতা আছে। এই কারনেই আমরা প্রত্যেকেই গর্বিত। এক অটুট বন্ধন আছে প্রত্যেকের সাথেই প্রত্যেকের। 

ট্রেকিং পায়ে হেঁটে হয় বলে অনেকেরই ধারণা এক্ষেত্রে খরচ কম। কিন্তু এই ধারনা পুরোপুরি ভুল।
বরং ট্রেকিং এ প্রথাগত ভ্রমনের তুলনায় খরচ একটু বেশিই হয়। কারন ট্রেন্ট করার খরচ, গাইডের খরচ, রেশন ,ট্রেকিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরনগুলির খরচ ব্যয়সাপেক্ষ। তাছাড়া অনেকসময় সঙ্গে পোর্টার নিতে হয়। এদের জন্যও খরচ সবই ট্রেকার্স দলকে বহন করতে হয়। 

একজন ট্রেকার্স অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হলে অন্যান্য বন্ধুরা বা সহযাত্রীরা সেই বন্ধুর জন্য বাড়তি ব্যয়ভারও বহন করেন। এই সুবিধা আমাদের টিমে আছে।
ট্রেকিং এর সময় শারীরিক সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতার মানসিকতা না থাকলে বড় বিপদ। টিমের ঐক্যবদ্ধ মানসিকতা না থাকলে মনোমালিন্য হবার সম্ভাবনা থাকে। অনেকক্ষেত্রেই  ট্রেকিং বন্ধ করতেও হয়। সে ক্ষেত্রে সকলে সমমানসিকতার না হলে মনোমালিন্যের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। 

তাই প্রথমেই ট্রেকিং করব স্থির করার আগে
 সমমানসিকতার বন্ধু খুঁজে নেওয়া উচিত।

Comments

Popular posts from this blog

বর্ধমান জেলার অনেক মানুষের সাথে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ছিল নিবিড় যোগাযোগ

সাগরপাড়ের রানী ভাইজ্যাক

ডোডোর কেরামতি