গণতন্ত্র আক্রান্ত স্বৈরতন্ত্রের আঘাতে
লজ্জা লজ্জা লজ্জা
গণতন্ত্রের লজ্জা।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন একটা পথ। এ পথে প্রত্যেকের অধিকার আছে নিজের মতাদর্শের পক্ষে দাঁড়িয়ে মানুষের কাছে পৌঁছানোর। প্রত্যেক নাগরিকের নির্বাচনে প্রার্থী হবার অধিকারও আছে।
কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ তা চায় না। কন্ঠরোধ করে নিজে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে চায়। নিজের মত করে নির্বাচন করিয়ে জয়লাভ করতে চায়।
গতকাল দুটি পৃথক জায়গায় দুটি ঘটনা।
সিপিআই(এম)প্রার্থী ডা:ফুয়াদ হালিম ও গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জিকে চারিদিক থেকে শাসক দলের কর্মীরা ঘিরে ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে।
প্রার্থী মার খাচ্ছে। কোথায় রাজ্যে গণতন্ত্র। নির্বাচন কমিশনও নীরব।
ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষ এই কারনেই ধীরে ধীরে আস্থা হারাচ্ছে।
এ রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষা করতে ভাঙর পথ দেখাচ্ছে। শাসকের লাল চক্ষুকে ভয় না পেয়ে পাল্টা প্রতিরোধে না নামলে কোন দিনও এরাজ্যে গণতন্ত্রের পুন:প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। কেবল মিছিল, মিটিং, আইনি পথে এগিয়ে হবে না।
দুর্যোধন বা দুঃশাসনদের রুখতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ না করতে পারলে মানুষের কথা বলার অধিকারটুকুও রক্ষা করা সম্ভব না।
গণতন্ত্রে প্রত্যেক প্রার্থীর অধিকার আছে মানুষের কাছে যাওয়ার। সভা, সমিতি হবে। মানুষ পছন্দ করলে তাঁকে জয়যুক্ত করবে। অপছন্দ হলে সে পরাজিত হবে। কিন্তু প্রার্থীকে দৈহিকভাবে আক্রান্ত কেন হতে হবে?
আসলে সুষ্ঠ নির্বাচন যাঁরা চায় না তাঁরাই সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয় বারেবারে।
আসলে বুঝে নিতে হবে তাঁরা ভয় পায়। গণতন্ত্র তাঁরা চায় না। স্বৈরতন্ত্রের পথে ক্ষমতায় টিকে থাকাই তাঁদের টিকে থাকার অস্ত্র।
Comments