Posts

Showing posts from July, 2020

প্রতিশোধ স্পৃহা

প্রতিশোধ স্পৃহা মনের পক্ষে ও স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। কিন্তু অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধ্যে প্রতিশোধ স্পৃহা জাগ্রত রাখা সমাজের পক্ষে ভালো।  তাই প্রতিশোধ স্পৃহাকে জাগ্রত রাখতে হয়, যতক্ষন না শাসককে পরাস্ত করা না হয়। যুগ যুগ ধরে দেখেছি অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধ্যে জাগ্রত জনগন তার প্রতিশোধ স্পৃহাকে জাগ্রত রেখেছে। অবশ্যই সে স্পৃহাকে জাগ্রত রাখতে কেউ না কেউ নেতৃত্বও দিয়েছে। এমনও দেখা গেছে জনগন সঙ্ঘবদ্ধভাবে কোন নেতা ছাড়াই প্রতিশোধ নিয়েছেন অত্যাচারী শাসকের বা শাসন ব্যবস্থার।  আমাদের দেশে রামায়ন মহাভারত সহ বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থেও বলা হয়েছে অত্যাচারীর বিরুদ্ধাচারন করতে।  বর্তমান সময়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সেই প্রতিশোধ নিতে আর অস্ত্র নিয়ে লড়াই করতে হয় না। অস্ত্র নিয়ে শত্রুকে পরাস্ত করার ও আমি বিরোধী। কারন এতে রক্তপাত ঘটে। শত্রু রক্তপাত ঘটালেও চরম অবস্থা ছাড়া আমি নিদেনপক্ষে রক্তপাতের বিরোধিতা করি।  অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধ্যে ব্যালট ও তো এক অস্ত্র। আমি সেই অস্ত্রকে কাজে লাগিয়ে শত্রুকে পরাস্ত করতে চাই।  তাই চাই প্রতিশোধ স্পৃহাকে জাগ্রত রাখতে। 

ডিপ্রেশন

Image
মেঘলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আনমনে বসে আছি। সাদা দুটি বক মনের সুখে উড়ে গেল।  মনে হচ্ছে গাছেরা যেন মনের সুখে নৃত্য করছে মৃদু বাতাসে।  এরই মধ্যে দুটি ব্যাঙ একে অপরকে অনুসরণ করছে আর ডাকছে।  বর্ষায় গাছগুলি নতুন পাতায় সেজেছে।  হাঁ বর্ষা এসেছে। মৌসুমী বায়ু বইছে। এই ঘন কালো মেঘ তো কিছুক্ষন পরই রোদ্দুর। নীল আকাশের বুকে সাদা মেঘরাশি  যেন পেঁজা তুলায় রূপান্তরিত।  শুধু আনন্দে নেই এই সময় মানুষের মনে। পৃথিবীর সব চেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণীটি আজ যেন কেমন বিমর্ষ। কত যন্ত্রনা বুকে নিয়ে যেন বেঁচে আছে। আতঙ্কে নেই এমন কেউ বোধহয় নেই। অর্থের দম্ভে মদমত্ত মানুষও আজ আতঙ্কিত । চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় হাসপাতালের (বিজয়ন হাসপাতাল) মালিকের পুত্র কদিন আগেই করোনায় মৃত্যু হলো। অর্থ , উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও তাঁকে বাঁচাতে পারলো না। যে কারুর মৃত্যুই দুঃখজনক। তবুও অর্থের অহংকারে যাঁরা মদমত্ত তাঁদের বোধহয় বোঝার সময় এটাই যে  ----অর্থ সব সমস্যা থেকে উদ্ধার করে না। প্রকৃতিকে হার মানানোও অত সোজা কাজ নয়। একদিন নিশ্চয় করোনার টিকা আবিষ্কার হবে এ পৃথিবীতে। আর পাঁচটা সাধারণ রোগের মতোই করোনা একট...

না এ কোন কবিতা নয়

সব যেন এলোমেলো হয়ে গেলো এক করোনা সব যেন কেমন গিলে খেলো।  সামাজিক দূরত্ব কেন? বরং হওয়া উচিত তো শারীরিক দূরত্ব,  কিন্তু তা বলছে না ওরা। জানিনা কেন? ট্রেন চলছে না, বাস চলছে কম আত্মীয় স্বজনদেরও তাঁদের বাড়িতে আমায় আমন্ত্রণ জানানোর নেই ইচ্ছা, নেই কো  দম।  সমুদ্রতীর , পাহাড়, জঙ্গলও একা, শুনছি ওরাও অতিথিহীন। এ সব কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে?  বাড়িগুলি সব এক একটা পাগলা গারদে পরিণত হবে কি? এ প্রশ্নের উত্তর কে জানে? আমি তো জানিনা।