Posts

Showing posts with the label Story

ডিপ্রেশন

Image
মেঘলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আনমনে বসে আছি। সাদা দুটি বক মনের সুখে উড়ে গেল।  মনে হচ্ছে গাছেরা যেন মনের সুখে নৃত্য করছে মৃদু বাতাসে।  এরই মধ্যে দুটি ব্যাঙ একে অপরকে অনুসরণ করছে আর ডাকছে।  বর্ষায় গাছগুলি নতুন পাতায় সেজেছে।  হাঁ বর্ষা এসেছে। মৌসুমী বায়ু বইছে। এই ঘন কালো মেঘ তো কিছুক্ষন পরই রোদ্দুর। নীল আকাশের বুকে সাদা মেঘরাশি  যেন পেঁজা তুলায় রূপান্তরিত।  শুধু আনন্দে নেই এই সময় মানুষের মনে। পৃথিবীর সব চেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণীটি আজ যেন কেমন বিমর্ষ। কত যন্ত্রনা বুকে নিয়ে যেন বেঁচে আছে। আতঙ্কে নেই এমন কেউ বোধহয় নেই। অর্থের দম্ভে মদমত্ত মানুষও আজ আতঙ্কিত । চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় হাসপাতালের (বিজয়ন হাসপাতাল) মালিকের পুত্র কদিন আগেই করোনায় মৃত্যু হলো। অর্থ , উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও তাঁকে বাঁচাতে পারলো না। যে কারুর মৃত্যুই দুঃখজনক। তবুও অর্থের অহংকারে যাঁরা মদমত্ত তাঁদের বোধহয় বোঝার সময় এটাই যে  ----অর্থ সব সমস্যা থেকে উদ্ধার করে না। প্রকৃতিকে হার মানানোও অত সোজা কাজ নয়। একদিন নিশ্চয় করোনার টিকা আবিষ্কার হবে এ পৃথিবীতে। আর পাঁচটা সাধারণ রোগের মতোই করোনা একট...

প্রতিবাদিনী //প্রাণকৃষ্ণ মিশ্র

Image
                        প্রতিবাদিনী                       প্রাণকৃষ্ণ মিশ্র  প্রথম অধ্যায় সেইদিন বৃহস্পতিবার। সকাল থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে। একদিকে লকডাউনের কারনে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ। আগামী বছরই আমার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। আমি পারুল। আমার মন আজ একদম ঠিক নেই। এইভাবে দীর্ঘদিন টিউশনি, স্কুল বন্ধ থাকলে কিভাবে কি হবে? কারই বা মন ঠিক থাকে? তাছাড়া কতদিন হলো বিজয়ের ফুচকার দোকানেও যেতে পারিনি। তবে ফোন করে বন্ধুর থেকে শুনেছি লকডাউনের কারণে বিজয় দাও দোকান খুলছে না। এরই মধ্যে মা ডাক দিল - পারুল আয় মা একটু আলতা পরিয়ে দিই, আজ গুরুবার। আমি রেগে গিয়ে বললাম ,মা জানোই তো আমি আলতা পরতে পছন্দ করি না। তাছাড়া আলতা পড়লে আমার পা চুলকায়, এলার্জি হয়। মা বললেন , সে কি রে। তুই বামুনের ঘরের মেয়ে। আলতা পরবি না বললে হয়? লোকে কি বলবে? তাছাড়া আগামী বছরই আমরা তোর বিয়ে দেব। একপ্রকার পাকা কথা প্রায় হয়েই রয়েছে। ছেলেটাও ভালো শুনেছি। ---- বিয়ে আমি করব না মা এখনই। আমি পড়াশুনা করব। দীপিকাদির মত চা...

অনুশোচনা

Image
প্রকৃতি, কেন তুমি এত নিষ্ঠুর হয়ে উঠছ?  নিজের সাজানো বাগানকে কেন করছ তছনছ।  তোমার গাছপালা, পশু পাখি, মানুষ তাদের বাসস্থান সবই তো একান্তই তোমার।  তবে কেন তুমি বারেবারে দেখাও তোমার এই রুদ্ররূপ ? তুমি তো জানো ,একটা গাছ বড় হতে কত সময় লাগে?  একটা ঘর তৈরি করতে কত পরিশ্রম করতে হয় পশু পাখি বা  মানুষের। কেন তুমি নিজের সাজানো  সংসার  নিজেই ভাঙছ? ও হাঁ , এটা সত্য আমরা মানুষ হুশ হারিয়ে- তোমার উপর করেছি অনেক অত্যাচার, আমরাও করেছি বৃক্ষচ্ছেদন, আমরা করেছি সমুদ্র দূষণ, পাহাড়কে করেছি জঞ্জালের স্তুপে পরিণত, পরিবেশ দূষণ। তা বলে, তুমি নেবে এত বড় প্রতিশোধ? সন্তান ভুল করলে মা তো  ক্ষমা করে তুমি কি পারোনা ক্ষমা করতে? কি বলছ , তুমি অনেকবার ক্ষমা করেছ। আর সহ্য করতে পারছ না?  ও হাঁ, তা ঠিক। তুমিও তো অনেক দিন ধরেই বারেবারে ক্ষমা করেছ।  তবুও আমরা বুঝিনি।  প্লিজ এবার একটু শান্ত হও,  একটু শান্তি , একটু ভয় মুক্ত হতে চাই এবার না হয় আমরা শুধরে নেব আমাদের ভুলগুলি।  প্লিজ প্লিজ....। 24 শে মে,2020

মন আকাশে কালো মেঘ

জানিনা তোর কি হয়েছে, তবে কিছু একটা হয়েইছে। জানি না তুই কেন আনমনা। তবে যাই হোক তুই আমার শেয়ার করতে পারিস।  ---মনের আকাশে কালো মেঘ। গুমট হয়ে আসছে পৃথিবীটা। ঝড় , প্রবল বৃষ্টি, ক্ষরা দেখেছে পৃথিবী কিন্তু এ মেঘ এ অন্ধকার যেন কেমন একটা । এ মেঘে বিষাদের সুর বাজে। এ মেঘ ভেঙে খান খান করেছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের সঙ্ঘবদ্ধতার সুদীর্ঘ ইতিহাসকে। এ মেঘ তাদের একা থাকতে বলে। এ মেঘ বলে দূরত্ব বজায় রাখতে, এ মেঘ বলে জীবনযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করতে। একটা দম বন্ধ করা পরিস্থিতি তৈরি করেছে রিয়া।  যে মানুষটা তিল তিল করে এই পৃথিবীর জন্য জীবনপাত করে চলে গেল, এ মেঘ তাঁর অন্তিম যাত্রায় যেতে বাধা দেয়। কি করে মনকে নিয়ন্ত্রণ করব বল। আমার মুখের বলিরেখাগুলো এই কদিনে কেমন যেন মিলিয়ে গেছে। আমি ভেবে পাই না কি করে আবার স্বাভাবিক ছন্দে পৃথিবী সেজে উঠবে।  পৃথিবীর প্রিয় সন্তান কৃষক আর মাঠে যায় না। রাখাল বাঁশি বাজিয়ে গ্রামের আলপথে গরু নিয়ে যায় না। কলকারখানাগুলো থেকে আর সাইরেন বাজে না। শ্রমিক ক্ষীদের যন্ত্রনায় ডুকরে কেঁদে ওঠে। ছাত্ররা স্কুলে যায় না। জানিস আজই রিম্পার স্কুলের এক দিদিমণি ফোন করেছিলেন।  -উনি ব...

সেই রাতে

Image
না কোন ভাইরাস দেখছি না, কাউকে দেখাচ্ছিও না।  বরং একটা পাহাড়ি যাত্রাপথের ছোট্ট গল্প শোনাচ্ছি আপনাদের।  সেদিন তোসকায় পৌঁছেছিলাম মেঘ ভাঙা বৃষ্টি মাথায় নিয়ে। ইয়াকসাম থেকে সকাল সাতটায় হাঁটা শুরু করে প্রায় ২১ কিমি পথ হেঁটে যখন তোসকায় আমরা পৌঁছাই তখন প্রায় সন্ধ্যা ৬ টা বাজে। একদিকে পথক্লান্তি অন্যদিকে বৃষ্টির প্রকোপ।  পুরো রাস্তাটি হাঁটতে হাঁটতে বেশ কয়েকবার জোঁকের কামড় খেয়ে নাজেহালও হয়েছি। কিন্তু সব কষ্টকে ভুলিয়ে দিয়েছে এ পথের স্বর্গীয় সৌন্দর্য। পাইন আর রোডড্রেনড্রনের ছায়ামাখা পথে এ পথে যিনি জাননি গল্প পড়ে মানসনয়নে সে পথের সৌন্দর্য অনুধাবন করা বড়ই কঠিন।                      আমাদের তাঁবু আমরা সেদিন বাকহিমে পৌছালাম যখন তখন  সহযাত্রীরা বললেন আজ এখানেই তাঁবু ফেলা হোক। কিন্তু বেগড়া দিলেন একজন পোর্টার। বিড়ি খেতে খেতে উনি  বললেন এখানে অতীতে অনেকবার ভৌতিক বিভিন্ন কান্ডকারখানার সাক্ষী হয়েছেন অনেক পর্যটক। ওনার কথা শুনে আমার সেসময় বেশ মজাই হয়েছিল। ভুত দেখার ইচ্ছাও প্রবল ভাবেই মনে নাড়া দিতে লাগল।  ...

একজন সংগ্রামীর জীবনকথা

Image
                             (সত্য ঘটনা অবলম্বনে ছোট গল্প। ছেলেটির নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করেছি। পড়ুন। ভালো লাগলে শেয়ার করুন ও কমেন্ট করুন।) //প্রাণকৃষ্ণ মিশ্র//                        প্রথম পর্ব স্বর্গাশ্রম থেকে রামঝুলার পথে হাঁটছি। একটুখানি পথ, খুব জোর ২ কিমি।  যদিও এইটুকু পথই অনেকে গাড়ি ভাড়া করে যাচ্ছেন।  আমার আবার পাহাড়ি পথে হাঁটতেই ভালো লাগে। ---কিরনকে বললাম চলো আমাদের হাতে তো অনেকটাই সময় আছে। আজ তেমন তাড়াহুড়ো নেই, হেঁটেই মেরে দিই এটুকু পথ।  আমগাছের ছায়াঘন পথে দুজনে গল্প করতে করতে ততক্ষনে অনেকটাই পথ পারি দিয়েছি। কয়েকটি বাগান রাস্তা থেকে আলাদা করার জন্য বেড়া দিয়ে ঘেরা। আর সেই প্রশস্ত বাগানের মধ্যে ছোট ছোট আশ্রম। সাধু মহাত্মাদের বাস। এই স্বর্গাশ্রমের পথটি আমার বেশ ভালোই লাগে । আগেও বেশ কয়েকবার এসেছি। তাই পথঘাট এখানে অজানা নয়।  কিরনকে বললাম আর কিছুটা গেলেই রামঝুলা পৌঁছাবে। রামঝুলার আশেপাশে অনেকগুলি মন্দির আছে, তোমার সেগু...

আমার কথা

Image
                          প্রাণকৃষ্ণ মিশ্র নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান । পিতা সরকারী চাকুরী করতেন।  দু-তিন বিঘে জমিও ছিল। যদিও সেসব আজ ইতিহাস। গ্রামের বিদ্যালয়ে পড়াশুনা । লেখাপড়ায় কোনদিনই ভালো ছাত্র ছিলাম না । তবে সে সময় গ্রামের দিকে আজকের মত একজন ছাত্রের একাধিক শিক্ষকের ব্যবস্থা কোন অভিভাবকই করতে পারতেন না। অর্থনৈতিক সঙ্গতি সেকালে গ্রামের দিকে অভিভাবকদের তেমন ভালোও ছিল না, থাকলেও সেকালে একাধিক শিক্ষকও ওই গন্ডগ্রামে মিলত না।বাবার চাকুরী দূরবর্তী শহর বর্ধমানে। মাঝেমাঝেই বদলি হয়ে অন্যত্রও যেতে হয় । জেলার বিভিন্ন মফস্বল শহরে চাকুরী।  তাই সপ্তাহে একদিন পিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ হতো ।             ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা অগাধ। কখনো ক্রিকেট খেলতাম কাপড় দিয়ে তৈরি বলে দিয়ে  তো কখনো রাবারের বলে। তখনও ক্যামবিস বল গ্রাম বাংলা চোখে দেখেনি। শৈশবে ছিল বুড়ি বসন্ত, লুকোচুরি,  হা ডু ডু ডু, ভলি বল খেলার রেওয়াজ।খেলতে ভালো লাগতো ফুটবল। কিন্তু শারীরিক দুর্বলতা সে খেলায় ভয় পেত। টিভি...

অভিশপ্ত ম্যানহোল

Image
অভিশপ্ত ম্যানহোল(ছোট গল্প) #প্রাণকৃষ্ণ সবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে শৈবাল কলকাতায় পড়তে গেছে। কলকাতা শহরের আনাচে কানাচে ওর কাছে বড্ড অচেনা। গ্রামের ছেলে ,কোন আত্মীয় স্বজনের বাড়ি না থাকায় একটি মেসে থাকে।ওর অনুসন্ধিৎসু চোখ সন্ধ্যার সময় প্রতিদিন চিনে নিতে চায় মেসের চারিপাশে অলিগলি। সে দিন ও, একটি নতুন গলি দিয়ে অন্ধকারে হাঁটছিল। এই রাস্তার আশেপাশের বাড়ি গুলি সবই সাবেকি আমলের। কেমন যেন মেরমেরে। হাঁটার সময় রাস্তায় তেমন খেয়াল নেই। খানা খন্দে মাঝেসাঝে পা পড়লেও তেমন একটা অসুবিধা হচ্ছে না। হঠাতই রাস্তার বাঁক ঘুরে যেখানে মেন রোডে মিশেছে চোখ ধাঁধানো আলোয় খেয়াল না করায় খোলা ম্যানহোলে পড়ে যায় শৈবাল। রাত্রি তখন প্রায় ৯ টা। সন্ধ্যার সময় হালকা বৃষ্টি হওয়ায় সচরাচর এই পথে লোকজন থাকলেও সেদিন কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা। ম্যানহোলের ভিতর থেকে ওঠার অনেক চেষ্টা করলেও নর্দমার জলের প্রবল জলস্রোতে সে কোন মতেই উঠতে পারে না। এদিকে পরে গিয়ে গা, হাত ,পা ছিঁড়ে গেছে। পায়ে প্রচন্ড আঘাত লাগায় যন্ত্রনা হচ্ছে । ম্যানহোলের ভিতর থেকে বেশ কয়েকবার উচ্চ কন্ঠে বাঁচাও বাঁচাও করে চিৎকার করেও কেউ উদ্ধার করতে এগিয়ে আসে না। এদিকে মেস...

বাঁদরের পাল্লায়

Image
সেবার দার্জিলিং গেছি। আমার জীবনে প্রথম বঙ্গের শৈল শহর দর্শন। খুব স্বাভাবিক কারণেই আবেগ উৎকণ্ঠা বেশি। আমার এক বন্ধুর পরিবার পরিজনরা যাচ্ছেন। বাবার কাছে ঝোঁক ধরলাম আমিও যাব ওদের সাথে। প্রথমে বাবা রাজি হননি। কিন্তু পরে আমার জেদের কাছে হার মানতে বাধ্য হলেন এই বলে যে- "যাবে যাও কিন্তু আমি পয়সা কড়ি দিতে পারব না"। যদিও আমার মনে আছে যাবার সময় বাবা ৫০০ টাকা দিয়েছিলেন। ১৯৯৬-১৯৯৭ সালের ঘটনা। তখন ৫০০ টাকার মূল্য ভালোই ছিল। সে যাই হোক ঘোরসওয়ার রোডে(দার্জিলিং ম্যালের উপরে) একটি অপরিচ্ছন্ন জায়গায় আমাদের হোটেল নেওয়া হয়েছিল। যদিও এই জায়গাটি এখন বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। হোটেলগুলো বেশিরভাগই পাহাড়ের কোলে কাঠের তৈরি। জানলা দিয়ে বা বারান্দায় বেরুলে হোটেলগুলো থেকে পাহাড় বেশ পরিষ্কার দেখা যায়। এই রাস্তাটি একটু অপরিচ্ছন্ন বলে ভাড়াও এই জায়গায় কম থাকতো। যদিও আমার কাছে ঘুরতে গিয়ে হোটেলের বাছবিচার  চিরকাল কমই। মুখ্য উদ্দেশ্য জায়গাটি ঘুরে দেখা। তবে হোটেলের রুম পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কিনা, এট্যাচ বাথরুম আছে নাকি এগুলিই দেখে নিই। যাই হোক এই হোটেলটি মন্দ নয়। তাছাড়া এটিই আমার জীবনে কাঠের ঘরে থাকার প্রথম অভ...

স্মৃতিতে রমাকান্ত

ছেলেটির নাম রমাকান্ত মুখার্জি। অখ্যাত অজপাড়া গাঁয়ের হাসিখুশি, খোলামেলা চরিত্রের একজন মানুষ। শৈশব থেকেই লেখাপড়ায় খুব একটা মন ছিল না রমাকান্তের। সুদর্শন চেহারার এই যু...

ডোডোর কেরামতি

গতরাতের ঘটনা। সারাদিনের পরিশ্রমে তখন দুই চোখ আমার নিদ্রাচ্ছন্ন। বিছানায় সবে শরীরটাকে এলিয়ে দিয়েছি। কন্যা সমতা তখনও টিভির পর্দায় কার্টুনে মত্ত। বাড়ির অন্যান্যরা তখ...

কবরই নিরাপদ

পাহাড়ের ছোট্টগ্রামের এককোনে বাড়ি আজমিরা বানুর। সবে ৮ বছর বয়স। গ্রামের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে অন্যান্য বন্ধুদের সাথে আজমিরা ছুটে খেলে বেড়ায়। দারিদ্রতা ওর মনকে তখনও ...