অন্ধ ভক্ত সবসময়েই ক্ষতিকর
অন্ধ ভক্ত হলেই বিপদ।
অন্ধ ভক্ত হলে নেতার অন্যায় দেখেও মেনে নেয় ভক্ত।
অন্ধ ভক্ত হলে নেতার অন্যায় দেখেও মেনে নেয় ভক্ত।
আমি কিছু দেখি নি, আমি কিছু জানি না, আমি কিছু বলব না-
উনি যা বলছেন তা দেবতার বাণী হিসাবে মেনে নেয় অন্ধ ভক্ত। অন্ধ ভক্ত আসলে নেতার ক্ষতি করেন। এমনকি নেতার সাথে সাথে আদর্শেরও ক্ষতি করেন ধীরে ধীরে।
উনি যা বলছেন তা দেবতার বাণী হিসাবে মেনে নেয় অন্ধ ভক্ত। অন্ধ ভক্ত আসলে নেতার ক্ষতি করেন। এমনকি নেতার সাথে সাথে আদর্শেরও ক্ষতি করেন ধীরে ধীরে।
প্রত্যেক মানুষই কাউকে না কাউকে অবশ্যই অনুসরণ করেন। এটা অন্যায়ের নয়। কিন্তু যাকে অনুসরণ করছেন তার গুন গুলিকে অনুসরণ করাই শ্রেয়। আর যদি তাঁর কোন ত্রুটি থাকে তাহলে সেই ত্রুটিগুলি তাঁকে ধরিয়ে দেওয়াই উচিত। কারন অনেক সময় মানুষ নিজের ত্রুটি বিচ্যুতি নিজে বুঝতে পারেন না। ত্রুটি ধরিয়ে দিলে নেতা সংশোধিত হবার সুযোগ পায়।
তাই ভক্ত যাকে অনুসরণ করছেন ,তিনি নেতার ত্রুটি যদি ধরিয়ে দেন ,তাহলে সেটাই নেতার প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা। কিন্তু তা হচ্ছে না।
কোন ক্ষেত্রেই হচ্ছে না।
রাজনৈতিক দলে তো একদমই এই রেওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে। এই ধারা বজায় থাকলে দলের পক্ষে মঙ্গল হয়।
একসময় আমাদের দেশে বাম দলগুলির সাথে সাথে কংগ্রেস দলেও আত্মসমালোচনা ইত্যাদির গুরুত্ব ছিল। দলের অভ্যন্তরে সমালোচনার পরিবেশ ছিল। সমালোচনা সবসময়ই মঙ্গলের। সমালোচনা একসময় নেতৃত্বও শুনতে চাইতেন।
কিন্তু আজ সব হারিয়ে গেছে ।
সমালোচনা করলেই শত্রু ভাবা হচ্ছে।
এমনকি সরকার ও চায় না সমালোচনা শুনতে। বিরোধী শূন্য সরকার পরিচালনা আসলে ক্ষতিকর।
তাই সমালোচনার পরিবেশ তৈরি করা উচিত দলের মধ্যে এমনকি সরকারেও।
কোন ক্ষেত্রেই হচ্ছে না।
রাজনৈতিক দলে তো একদমই এই রেওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে। এই ধারা বজায় থাকলে দলের পক্ষে মঙ্গল হয়।
একসময় আমাদের দেশে বাম দলগুলির সাথে সাথে কংগ্রেস দলেও আত্মসমালোচনা ইত্যাদির গুরুত্ব ছিল। দলের অভ্যন্তরে সমালোচনার পরিবেশ ছিল। সমালোচনা সবসময়ই মঙ্গলের। সমালোচনা একসময় নেতৃত্বও শুনতে চাইতেন।
কিন্তু আজ সব হারিয়ে গেছে ।
সমালোচনা করলেই শত্রু ভাবা হচ্ছে।
এমনকি সরকার ও চায় না সমালোচনা শুনতে। বিরোধী শূন্য সরকার পরিচালনা আসলে ক্ষতিকর।
তাই সমালোচনার পরিবেশ তৈরি করা উচিত দলের মধ্যে এমনকি সরকারেও।
ছবি সংগৃহিত

Comments