প্রহসন চলছে

সত্যিই আবারও একটা প্রহসন সৃষ্টি করার পদ্ধতি শুরু হয়েছে। শাসক তাঁর শোষণ কায়েম রাখার জন্য জনগনের সাথে প্রহসন করছে।
এতে গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা হারাচ্ছি আমরা।

নির্বাচন গণতন্ত্র রক্ষার অস্ত্র। মানুষ নিজের পছন্দমত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে । নির্বাচন জনগনের সেই অধিকার রক্ষা করবে।
নির্বাচন কমিশনের কাজ মানুষ যাতে সুষ্ঠভাবে ভোট দিতে পারে তার ব্যবস্থা করা।
রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করা দেখেছে মানুষ, শেষ কয়েকটি নির্বাচনে। পুরো নির্বাচনকে প্রহসনে পরিনত করা হয়েছিল। পঞ্চায়েত, পৌরসভা এমনকি গত বিধানসভা নির্বাচনেও মানুষ নিজের রায়দান করতে পারেনি অনেক জায়গাতেই।
সেই কারণেই মানুষের দাবি কেন্দ্রীয় ফোর্স দিয়ে ভোট করানোর। ঢাক ঢোল  পিটিয়ে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছিল এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট করাবে। রুট মার্চ হবে বুথে।
কিন্তু ভোট যতই কাছে আসছে সেটিং পরিষ্কার হচ্ছে শাসকের। নির্বাচন কমিশন তাঁর পূর্বের বক্তব্য থেকেও সরে যাচ্ছে।
এখন বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থেকে রাজ্য পুলিশ বেশি নিয়োগ হবে। এবার দেখব সিভিক পুলিশও থাকবে বুথে।
রাজ্য পুলিশ নিশ্চিত রাজ্যের শাসক দলের হয়েই কাজ করবে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও করতে বাধ্য হবে।
ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট । প্রায় 2000 বুথের মধ্যে মাত্র 150 বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ঘোষণা হয়েছে একথা।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সরকারী কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নির্বাচকরাও আশাহত।
একমাত্র বামদলগুলি ও কংগ্রেস ছাড়া এই প্রহসনের বিরুদ্ধে কেউই তেমন মুখ খুলছে না।

সেটিং পরিষ্কার।

আবারও গণতন্ত্রের উৎসব প্রহসনে পরিনত হবে, শুধুই সময়ের অপেক্ষামাত্র।

Comments

Popular posts from this blog

বর্ধমান জেলার অনেক মানুষের সাথে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ছিল নিবিড় যোগাযোগ

সাগরপাড়ের রানী ভাইজ্যাক

ডোডোর কেরামতি