নিরাপত্তা দরকার ভোট কর্মীদের। নিরাপত্তা দরকার ভোটদাতাদের। নয়ত প্রহসনের নির্বাচনের কি প্রয়োজন বলুন? রাজকুমার রায়কে মনে পড়ে?হয়ত ভুলে গেছেন অনেকেই। গতপঞ্চায়েট ভোটে ভোট নিতে গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বপালন করেছিলেন। আর ফিরে আসেননি এই শিক্ষক স্ত্রী, পিতা, কন্যা,পুত্রের কাছে। আজও কাঁদে পরিবার। ২০ লক্ষ টাকা ঘোষণা হয়েছিল পরিবার পরিজনরা পাবেন। কিন্তু না, এখনও পাননি। আজও রাজকুমারের পুত্র ও কন্যা পিতার ফিরে আসার অপেক্ষায় স্বপ্ন দেখে। এই শিক্ষকের মৃত্যুই সরকারি কর্মীদের আন্দোলন করতে শিখিয়েছে। যে আন্দোলন জেলায় জেলায় , মহকুমা শহরে চলছে, ছড়িয়ে পড়ছে। সরকারি কর্মীদের দাবী "সুষ্ঠ নির্বাচন ও নির্বাচন কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর"। এই আন্দোলন অবশ্যই আশাব্যঞ্জক ও সমর্থনযোগ্য। একমাত্র লুম্পেনরা, ভোট লুটকারীরা ছাড়া সকলের সমর্থন আছেই এই আন্দোলনে।