প্রতিশোধ স্পৃহা

প্রতিশোধ স্পৃহা মনের পক্ষে ও স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। কিন্তু অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধ্যে প্রতিশোধ স্পৃহা জাগ্রত রাখা সমাজের পক্ষে ভালো। 
তাই প্রতিশোধ স্পৃহাকে জাগ্রত রাখতে হয়, যতক্ষন না শাসককে পরাস্ত করা না হয়। যুগ যুগ ধরে দেখেছি অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধ্যে জাগ্রত জনগন তার প্রতিশোধ স্পৃহাকে জাগ্রত রেখেছে। অবশ্যই সে স্পৃহাকে জাগ্রত রাখতে কেউ না কেউ নেতৃত্বও দিয়েছে। এমনও দেখা গেছে জনগন সঙ্ঘবদ্ধভাবে কোন নেতা ছাড়াই প্রতিশোধ নিয়েছেন অত্যাচারী শাসকের বা শাসন ব্যবস্থার। 
আমাদের দেশে রামায়ন মহাভারত সহ বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থেও বলা হয়েছে অত্যাচারীর বিরুদ্ধাচারন করতে। 
বর্তমান সময়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সেই প্রতিশোধ নিতে আর অস্ত্র নিয়ে লড়াই করতে হয় না। অস্ত্র নিয়ে শত্রুকে পরাস্ত করার ও আমি বিরোধী। কারন এতে রক্তপাত ঘটে। শত্রু রক্তপাত ঘটালেও চরম অবস্থা ছাড়া আমি নিদেনপক্ষে রক্তপাতের বিরোধিতা করি।  অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধ্যে ব্যালট ও তো এক অস্ত্র। আমি সেই অস্ত্রকে কাজে লাগিয়ে শত্রুকে পরাস্ত করতে চাই। 
তাই চাই প্রতিশোধ স্পৃহাকে জাগ্রত রাখতে। 

Comments

Popular posts from this blog

বর্ধমান জেলার অনেক মানুষের সাথে বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ছিল নিবিড় যোগাযোগ

সাগরপাড়ের রানী ভাইজ্যাক

ডোডোর কেরামতি